News :

অধ্যক্ষের বাণী

ইতিহাস ও ঐতিহ্যধন্য এক সুপ্রাচীন জনপদ ভাওয়াল পরগণা। রাজধানী ঢাকার অদূরে ঐতিহাসিক ভাওয়ালের শাল-গজারী সুশোভিত এতদঞ্চল শিক্ষা-দীক্ষায় ছিল অত্যন্ত অনগ্রসর। উচ্চ শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তৎকালীন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ কলেজটি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তারই ধারবাহিকতায় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গ ১৯৬৭ সালে যাতায়াত ব্যবস্থার দিকে লক্ষ্য রেখে জয়দেবপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সম্মিলিত চেষ্টায় চান্দনা গ্রামের শিক্ষানুরাগী দানবীর “জনাব বদরে আলম সরকারের” অর্থানুকূল্যে তাঁরই নামানুসারে ‘ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ’ ০১/০৭/১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুনাম ধন্য প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর ছানোয়ারা সুলতানা ম্যাডাম অত্র প্রতিষ্ঠানটি দক্ষতা ‍ও সুনামের সাথে পরিচালনা করছেন। তিনি ১৪’শ বিসিএস সাধরণ ক্যাডারের মাধ্যমে ১৫-১১-১৯৯৩খ্রি. তারিখ প্রথম চাকুরী জীবন শুরু করেন।  ২৭-১০-২০২৪খ্রি. তারিখ অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলায় ১৯৬৯ খ্রিব্দে জন্ম গ্রহণ করেন। কলেজটি বর্তমানে গাজীপুর চৌরাস্তা স্বাধীনতা-সংগ্রামের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের স্মৃতি ভাস্কর্ষ জাগ্রত চৌরঙ্গীর সন্নিকটে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উত্তর পাশে মোঘল আমলের ৬৫ বিঘা সুবিশাল দিঘীর পাড় জুড়ে মনোমুগ্ধকর নৈসর্গিক পরিবেশে অবস্থিত। ডিজিটাল দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতি পৃথিবীকে ক্রমশ সংক্ষিপ্ত ও সহজলভ্য করে তুলছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিক্ষাঙ্গনে। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মুখে জ্ঞানের অসীম দুয়ার উম্মোচিত হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার জানতে হবে, প্রযুক্তিগত জ্ঞান আয়ত্ত করার মধ্য দিয়েই আমরা সমৃদ্ধির কাক্ষিত গন্তব্যে পৌছাতে পারি।